সে ভাব উদয় না হলে।
কে পাবে সে অধরচাঁদের বারাম কোন দলে॥
ডেঙ্গাতে পাতিয়ে আসন
জলে রয় তার কীর্তি এমন
বেদে কি তার পায় অন্বেষণ
রাগের পথ ভুলে॥
ঘর ছেড়ে ছানচেতে বাসা
কুপথে তার যাওয়া আসা
না জেনে ভেদ খোলসা
কথায় কি মেলে॥
জলে যখন চাঁদ দেখা যায়
ধরতে গেলে হাতে কে পায়
লালন তেমনি সাধন দাঁড়ায়
প’লো গোলমালে॥
Showing posts with label লালন সাই. Show all posts
Showing posts with label লালন সাই. Show all posts
Sunday, March 14, 2021
সে ভাব উদয় না হলে: লালন
Thursday, August 22, 2013
কুলের বউ ছিলাম বাড়ি - লালন
কুলের বউ ছিলাম বাড়ি
হলাম নাড়ি নাড়ার সাথে।
কুলের আচার কুলের বিচার
আর কি ভুলি সেই ভোলাতে।।
ভাবের নাড়ি ভাবের নাড়া
কুল নাশালাম জগত জোড়া।
করণ তার উল্টো দাঁড়া
বিধির ফাঁড়া কাটবে যাতে।।
হয়েছি নাড়ার নাড়ি
পরনে পড়েছি ডুরি
দিব না আর আঁচির কড়ি
বেড়াব চৈতন্য পথে।।
আসতে নাড়া যেতে নাড়া
কেবল দুদিন মোড়া জোড়া।
লালন কয় আগাগোড়া
জেনে মাথা হয় মুড়াতে।।
অর্জুন ক্ষ্যাপা
হলাম নাড়ি নাড়ার সাথে।
কুলের আচার কুলের বিচার
আর কি ভুলি সেই ভোলাতে।।
ভাবের নাড়ি ভাবের নাড়া
কুল নাশালাম জগত জোড়া।
করণ তার উল্টো দাঁড়া
বিধির ফাঁড়া কাটবে যাতে।।
হয়েছি নাড়ার নাড়ি
পরনে পড়েছি ডুরি
দিব না আর আঁচির কড়ি
বেড়াব চৈতন্য পথে।।
আসতে নাড়া যেতে নাড়া
কেবল দুদিন মোড়া জোড়া।
লালন কয় আগাগোড়া
জেনে মাথা হয় মুড়াতে।।
অর্জুন ক্ষ্যাপা
সাধ্য কিরে আমার সেরূপ চিনিতে - লালন
সাধ্য কিরে আমার সেরূপ চিনিতে।
অহর্নিশি মায়ার ঠুসি জ্ঞানচক্ষেতে।।
ঈশানকোণে হামেশ ঘড়ি
সে নড়ে কি আমি নড়ি।
আমার আমি হাতড়ে ফিরি
না পাই ধরিতে।।
আমি আর সে অচিন একজন
এক জায়গাতে থাকি দুজন।
ফাঁকে থাকে লক্ষ্য যোজন
না পাই দেখিতে।।
ঢুঁড়ে হদ্দ মেনে আছি
এখন বসে খেদাই মাছি।
লালন বলে মরে বাঁচি
কোন কার্যেতে।।
অহর্নিশি মায়ার ঠুসি জ্ঞানচক্ষেতে।।
ঈশানকোণে হামেশ ঘড়ি
সে নড়ে কি আমি নড়ি।
আমার আমি হাতড়ে ফিরি
না পাই ধরিতে।।
আমি আর সে অচিন একজন
এক জায়গাতে থাকি দুজন।
ফাঁকে থাকে লক্ষ্য যোজন
না পাই দেখিতে।।
ঢুঁড়ে হদ্দ মেনে আছি
এখন বসে খেদাই মাছি।
লালন বলে মরে বাঁচি
কোন কার্যেতে।।
| গান ডাউনলোড করতে শিল্পীর নামের উপর ক্লিক করুন | ||
| বজলু শাহ | রওশন ফকির | রব ফকির |
Tuesday, June 4, 2013
এসো হে অপারের কাণ্ডারি - লালন সাই
এসো হে অপারের কাণ্ডারি।
পড়েছি অকূল পাথারে দাও এসে চরণতরী।।
প্রাপ্ত পথ ভুলে এবার ভবরোগে ভুগবো কত আর।
তুমি নিজগুনে শ্রীচরণ দাও তবে কূল পেতে পারি।।
ছিলাম কোথায় এলাম হেথায়
আবার আমি যাই যেন কোথায়।
তুমি মনোরথের সারথি হয়ে স্বদেশে লও মনেরই।।
পতিত পাবন নাম তোমার গোসাঁই
পাপী তাপী তাইতে দেয় দোহাই।
ফকির লালন ভনে তোমা বিনে ভরসা কারে করি।।
কণ্ঠঃ দামিনী বসু।
পড়েছি অকূল পাথারে দাও এসে চরণতরী।।
প্রাপ্ত পথ ভুলে এবার ভবরোগে ভুগবো কত আর।
তুমি নিজগুনে শ্রীচরণ দাও তবে কূল পেতে পারি।।
ছিলাম কোথায় এলাম হেথায়
আবার আমি যাই যেন কোথায়।
তুমি মনোরথের সারথি হয়ে স্বদেশে লও মনেরই।।
পতিত পাবন নাম তোমার গোসাঁই
পাপী তাপী তাইতে দেয় দোহাই।
ফকির লালন ভনে তোমা বিনে ভরসা কারে করি।।
কণ্ঠঃ দামিনী বসু।
Monday, October 8, 2012
করি মানা কাম ছাড়েনা মদনে - সিরাজ সাঁই
করি মানা কাম ছাড়েনা মদনে
প্রেম রসিকা হব কেমনে।।
এই দেহেতে মদন রাজা করে কাচারি
কর আদায় করে লয়ে যায় হুজুরি।
মদন তো দুষ্ট ভারি তারে দাও তহশিলদারি
করে সে মুনশিগিরি গোপনে।।
চোর দিয়ে চোর ধরাধরি একি কারখানা
আমি তাই জিজ্ঞাসিলে তুমি বলো না।
সাধু থাকে চেতন ঘরে চোর সব পালায় ডরে
নইলে চোর লয়ে যাবে কোনখানে।।
অধীন লালন বিনয় করে সিরাজ সাঁই এর পায়
স্বামী মারিলে লাথি নালিশ জানাব কোথায়।
তুমি মোর প্রাণপতি কি দিয়ে রাখবো রতি
কেমনে হব সতী চরণে।।
Thursday, May 24, 2012
এলাহি আলমিন গো আল্লাহ বাদশাহ আলমপনা তুমি - লালন
এলাহি আলমিন গো আল্লাহ বাদশাহ আলমপনা তুমি।
ডুবায়ে ভাসাইতে পার, ভাসায়ে কিনার দাও কারো
রাখো মারো হাত তোমার, তাইতে তোমায় ডাকি আমি।।
নূহ নামের এক নবীরে, ভাসালে অকুল পাথারে
আবার তারে মেহের করে, আপনি লাগাও কিনারে
জাহের আছে ত্রিসংসারে আমায় দয়া কর স্বামী।।
নিজাম নামের বাটপার সেতো পাপেতে ডুবিয়া রইতো
তার মনে সুমতি দিলে, কুমতি তার গেল চলে
আউলিয়া নাম খাতায় লিখলে, জানা গেল সেই রহমই।
নবি না মানে যারা, মোয়াহেদ কাফের তারা
সেই মোয়াহেদ দায়মাল হবে, বেহিসাব দোজখে যাবে
আবার তারা খালাস পাবে, লালন কয় মোর কি হয় জানি।
ডাউনলোড লিঙ্ক
ডুবায়ে ভাসাইতে পার, ভাসায়ে কিনার দাও কারো
রাখো মারো হাত তোমার, তাইতে তোমায় ডাকি আমি।।
নূহ নামের এক নবীরে, ভাসালে অকুল পাথারে
আবার তারে মেহের করে, আপনি লাগাও কিনারে
জাহের আছে ত্রিসংসারে আমায় দয়া কর স্বামী।।
নিজাম নামের বাটপার সেতো পাপেতে ডুবিয়া রইতো
তার মনে সুমতি দিলে, কুমতি তার গেল চলে
আউলিয়া নাম খাতায় লিখলে, জানা গেল সেই রহমই।
নবি না মানে যারা, মোয়াহেদ কাফের তারা
সেই মোয়াহেদ দায়মাল হবে, বেহিসাব দোজখে যাবে
আবার তারা খালাস পাবে, লালন কয় মোর কি হয় জানি।
ডাউনলোড লিঙ্ক
Wednesday, March 28, 2012
সকালে যাই ধেণু লয়ে - লালন
সকালে যাই ধেণু লয়ে
এই বনে ভয় আছে ভাই
মা আমায় দিয়েছে কয়ে ॥
আজকের খেলা এই অবধি
ফিরা’ নে ভাই ধেণু আদি
প্রাণে বেঁচ থাকি যদি
কাল আবার খেলব আসিয়ে ॥
নিত্য নিত্য বন ছাড়ি
সকালে গিয়েছি বাড়ি
আজ মোদের দেখে দেরি
মা আছে পথ পানে চেয়ে ॥
বলেছিল মা যশোদে
কানাই দিলাম বলাইয়ের হাতে
ভালমন্দ হলে তাতে
লালন কয় কি বলব যেয়ে ॥
এই বনে ভয় আছে ভাই
মা আমায় দিয়েছে কয়ে ॥
আজকের খেলা এই অবধি
ফিরা’ নে ভাই ধেণু আদি
প্রাণে বেঁচ থাকি যদি
কাল আবার খেলব আসিয়ে ॥
নিত্য নিত্য বন ছাড়ি
সকালে গিয়েছি বাড়ি
আজ মোদের দেখে দেরি
মা আছে পথ পানে চেয়ে ॥
বলেছিল মা যশোদে
কানাই দিলাম বলাইয়ের হাতে
ভালমন্দ হলে তাতে
লালন কয় কি বলব যেয়ে ॥
আপন ঘরের খবর নে না - লালন
আপন ঘরের খবর নে না
অনা'সে দেখতে পাবি
কোনখানে সাঁইর বারামখানা।।
কোমলকোঠা কারে বলি
... কোন মোকাম তার কোথা গলি
কোন সময় পড়ে ফুলি
মধু খায় সে অলিজনা।।
সূক্ষ্মজ্ঞান যার ঐক্য মুখ্য
সাধকেরই উপলক্ষ
অপরূপ তার বৃক্ষ
দেখলে চোখের পাপ থাকে না।।
শুক্লনদীর সুখ সরোবর
তিলে তিলে হয় গো সাঁতার
লালন কয় কীর্তিকর্মার
কীর্তিকর্মার কী কারখানা।।
ডাউনলোড
অনা'সে দেখতে পাবি
কোনখানে সাঁইর বারামখানা।।
কোমলকোঠা কারে বলি
... কোন মোকাম তার কোথা গলি
কোন সময় পড়ে ফুলি
মধু খায় সে অলিজনা।।
সূক্ষ্মজ্ঞান যার ঐক্য মুখ্য
সাধকেরই উপলক্ষ
অপরূপ তার বৃক্ষ
দেখলে চোখের পাপ থাকে না।।
শুক্লনদীর সুখ সরোবর
তিলে তিলে হয় গো সাঁতার
লালন কয় কীর্তিকর্মার
কীর্তিকর্মার কী কারখানা।।
ডাউনলোড
অবোধ মন তোরে আর কি বলি - লালন
অবোধ মন তোরে আর কি বলি।
পেয়ে ধন সে ধন সব হারালি।।
মহাজনের ধন এনে ছিটালি রে উলুবনে।
কি হবে নিকাশের দিনে সে ভাবনা কই ভাবলি।।
সই করিয়ে পুঁজি তখন আনলি রে তিন রতি এক মণ।
ব্যাপার করা যেমন তেমন আসলে খাদ মিশালি।।
করলি ভালো বেচাকেনা চিনলি না মন রাং কি সোনা।
লালন বলে মন রসনা কেন সাধুর হাটে এলি।।
পেয়ে ধন সে ধন সব হারালি।।
মহাজনের ধন এনে ছিটালি রে উলুবনে।
কি হবে নিকাশের দিনে সে ভাবনা কই ভাবলি।।
সই করিয়ে পুঁজি তখন আনলি রে তিন রতি এক মণ।
ব্যাপার করা যেমন তেমন আসলে খাদ মিশালি।।
করলি ভালো বেচাকেনা চিনলি না মন রাং কি সোনা।
লালন বলে মন রসনা কেন সাধুর হাটে এলি।।
ও মা যশোদে তায় আর বল্লে কি হবে - ফকির লালন
ও মা যশোদে তা আর বল্লে কি হবে
গোপালকে যে এঁটো দেই মা
মনে যে ভাব ভেবে ॥
কান্ধে চড়ায় কান্ধে চড়ি
যে ভাব ধরায় সে ভাব ধরি
এসবই বাসনা তারি
বুঝেছি পূর্বে ॥
মিঠার জন্যে এঁটো দিই মা
পাপ-পূণ্যের জ্ঞান থাকেনা
গোপাল খেলে হই সন্ত্বনা
পাপ পূণ্য কে ভাবে ॥
গোপালের সঙ্গে যে ভাব
বলতে আকুল হয় মা তা সব
লালন বলে পাপ পূণ্য লাভ
ভুল হয় গোপালকে সেবে ॥
সাধকদের কাছে গোষ্ঠ গানের গুরুত্ব অপরিসীম। ফকির লালন শাহ সর্বসাকুল্যে আটটি গান লিখেছেন। গানগুলো এক জায়গায় পাওয়া কঠিন। তাছাড়া যা পাওয়া যায় তার অধিকাংশই ভুল। অনেকে গানগুলোর জন্য নানান সময়ে অনুরোধ করেছেন। গানগুলো বিচ্ছিন্ন ভাবে বের না করে সাঁইজীর গোষ্ঠভাব নিয়ে আলোচনাসহ পেশ করলে ভাল হোত। এখন আপাতত নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে গানের ভাবগত ক্রম বজায় রেখে যেভাবে গাওয়া হয় সেই ভাবেই হাজির করছি। সুরের জন্য নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে যোগাযোগ করলেই অনায়াসেই পাওয়া যাবে। - ফরহাদ মযহার
গোপালকে যে এঁটো দেই মা
মনে যে ভাব ভেবে ॥
কান্ধে চড়ায় কান্ধে চড়ি
যে ভাব ধরায় সে ভাব ধরি
এসবই বাসনা তারি
বুঝেছি পূর্বে ॥
মিঠার জন্যে এঁটো দিই মা
পাপ-পূণ্যের জ্ঞান থাকেনা
গোপাল খেলে হই সন্ত্বনা
পাপ পূণ্য কে ভাবে ॥
গোপালের সঙ্গে যে ভাব
বলতে আকুল হয় মা তা সব
লালন বলে পাপ পূণ্য লাভ
ভুল হয় গোপালকে সেবে ॥
সাধকদের কাছে গোষ্ঠ গানের গুরুত্ব অপরিসীম। ফকির লালন শাহ সর্বসাকুল্যে আটটি গান লিখেছেন। গানগুলো এক জায়গায় পাওয়া কঠিন। তাছাড়া যা পাওয়া যায় তার অধিকাংশই ভুল। অনেকে গানগুলোর জন্য নানান সময়ে অনুরোধ করেছেন। গানগুলো বিচ্ছিন্ন ভাবে বের না করে সাঁইজীর গোষ্ঠভাব নিয়ে আলোচনাসহ পেশ করলে ভাল হোত। এখন আপাতত নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে গানের ভাবগত ক্রম বজায় রেখে যেভাবে গাওয়া হয় সেই ভাবেই হাজির করছি। সুরের জন্য নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে যোগাযোগ করলেই অনায়াসেই পাওয়া যাবে। - ফরহাদ মযহার
কোথা গেলি ও ভাই কানাই - লালন
কোথা গেলি ও ভাই কানাই
সকল বন খুঁজিয়ে তোরে
নাগাল পাইনা ভাই ॥
বনে আজ হারিয়ে তোরে
গৃহে যাব কেমন করে
কি বলবো মা যশোদারে
ভাবনা হল তাই ॥
মনের ভাব বুঝতে নারি
কি ভাবের ভাব তোমারি
খেলতে খেলতে দেশান্তরি
ভাবে তো দেখতে পাই ॥
আজ বুঝি গো চারণখেলা
খেলবি না রে নন্দলালা
লালন বলে চরণবালছা
পাই না বুঝি ঠাই ॥
সকল বন খুঁজিয়ে তোরে
নাগাল পাইনা ভাই ॥
বনে আজ হারিয়ে তোরে
গৃহে যাব কেমন করে
কি বলবো মা যশোদারে
ভাবনা হল তাই ॥
মনের ভাব বুঝতে নারি
কি ভাবের ভাব তোমারি
খেলতে খেলতে দেশান্তরি
ভাবে তো দেখতে পাই ॥
আজ বুঝি গো চারণখেলা
খেলবি না রে নন্দলালা
লালন বলে চরণবালছা
পাই না বুঝি ঠাই ॥
বনে এসে হারালাম কানাই -
বনে এসে হারালাম কানাই
কি বলব মা যশোদায়
খেললাম সবে লুকালুকি
আবার হল দেখাদেখি
মোদের কানাই গেল কোন মুল্লুকি
খুঁজে নাহি পাই ॥
ছিদাম বলে নেব খুঁজে
লুকাবে কোন বন মাঝে
দাদা বলাই বলে আর বুঝি সে
দেখা দেয় না ভাই ॥
সুবল বলে পল মনে
বলেছিল একদিনে
কানাই যাবে গুপ্ত বৃন্দাবনে
আজ গেলেন বুঝি তাই ॥
খুঁজে খুঁজে হলাম সারা
কোথা গেলি মনচোরা
আর বুঝি দিবি না ধরা
লালন বলে একি হল হায় ॥
সাধকদের কাছে গোষ্ঠ গানের গুরুত্ব অপরিসীম। ফকির লালন শাহ সর্বসাকুল্যে আটটি গান লিখেছেন। গানগুলো এক জায়গায় পাওয়া কঠিন। তাছাড়া যা পাওয়া যায় তার অধিকাংশই ভুল। অনেকে গানগুলোর জন্য নানান সময়ে অনুরোধ করেছেন। গানগুলো বিচ্ছিন্ন ভাবে বের না করে সাঁইজীর গোষ্ঠভাব নিয়ে আলোচনাসহ পেশ করলে ভাল হোত। এখন আপাতত নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে গানের ভাবগত ক্রম বজায় রেখে যেভাবে গাওয়া হয় সেই ভাবেই হাজির করছি। সুরের জন্য নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে যোগাযোগ করলেই অনায়াসেই পাওয়া যাবে। - ফরহাদ মযহার
বলরে বলাই তোদের ধরণ - লালন
বলরে বলাই তোদের ধরণ কেমন হারে
তোরা বলিস সব রাখাল ঈশ্বর গোপাল
সেই গোপালকে মানিস কৈ রে ॥
বনে যেয়ে বনফল পাও
এঁটো করে গোপালকে দাও
তোদের এ কেমন ধর্ম, বল সেই মর্ম
আজ আমারে ॥
আমারে বোঝারে বলাই
তোদের তো সেই ভাব দেখি নাই
তোরা ঈশ্বর বলিস যার, কাঁধে চড়িস তার
কোন বিচারে ॥
গোষ্ঠে গোপাল যে দুঃখ পায়
কেঁদে কেঁদে বলে আমায়ে
লালন বলে তার, ভাব বুঝা ভার
এ সংসারে ॥
সাধকদের কাছে গোষ্ঠ গানের গুরুত্ব অপরিসীম। ফকির লালন শাহ সর্বসাকুল্যে আটটি গান লিখেছেন। গানগুলো এক জায়গায় পাওয়া কঠিন। তাছাড়া যা পাওয়া যায় তার অধিকাংশই ভুল। অনেকে গানগুলোর জন্য নানান সময়ে অনুরোধ করেছেন। গানগুলো বিচ্ছিন্ন ভাবে বের না করে সাঁইজীর গোষ্ঠভাব নিয়ে আলোচনাসহ পেশ করলে ভাল হোত। এখন আপাতত নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে গানের ভাবগত ক্রম বজায় রেখে যেভাবে গাওয়া হয় সেই ভাবেই হাজির করছি। সুরের জন্য নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে যোগাযোগ করলেই অনায়াসেই পাওয়া যাবে। - ফরহাদ মযহার
তোরা বলিস সব রাখাল ঈশ্বর গোপাল
সেই গোপালকে মানিস কৈ রে ॥
বনে যেয়ে বনফল পাও
এঁটো করে গোপালকে দাও
তোদের এ কেমন ধর্ম, বল সেই মর্ম
আজ আমারে ॥
আমারে বোঝারে বলাই
তোদের তো সেই ভাব দেখি নাই
তোরা ঈশ্বর বলিস যার, কাঁধে চড়িস তার
কোন বিচারে ॥
গোষ্ঠে গোপাল যে দুঃখ পায়
কেঁদে কেঁদে বলে আমায়ে
লালন বলে তার, ভাব বুঝা ভার
এ সংসারে ॥
সাধকদের কাছে গোষ্ঠ গানের গুরুত্ব অপরিসীম। ফকির লালন শাহ সর্বসাকুল্যে আটটি গান লিখেছেন। গানগুলো এক জায়গায় পাওয়া কঠিন। তাছাড়া যা পাওয়া যায় তার অধিকাংশই ভুল। অনেকে গানগুলোর জন্য নানান সময়ে অনুরোধ করেছেন। গানগুলো বিচ্ছিন্ন ভাবে বের না করে সাঁইজীর গোষ্ঠভাব নিয়ে আলোচনাসহ পেশ করলে ভাল হোত। এখন আপাতত নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে গানের ভাবগত ক্রম বজায় রেখে যেভাবে গাওয়া হয় সেই ভাবেই হাজির করছি। সুরের জন্য নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে যোগাযোগ করলেই অনায়াসেই পাওয়া যাবে। - ফরহাদ মযহার
গোষ্ঠে আর যাব না মাগো - ফকির লালন
বলাই দাদার দয়া নাই প্রাণে
গোষ্ঠে আর যাবনা মাগো
দাদা বলাইয়ের সনে ॥
বড় বড় রাখাল যারা
ওমা, বসে বসে থাকে তারা
আমায় করে জ্যান্তে মরা
বলে ধেণু ফিরা’ নে ॥
ক্ষুধাতে প্রাণ আকুল হয় মা
ধেণু রাখার বল থাকে না ॥
বলাই দাদা বোল বোঝে না
কথা কয় হেনে ॥
বনে যেয়ে রাখাল সবাই
বলে এস খেলি কানাই
হারিলেই স্কন্ধে বলাই
চড়ে তখনে ॥
তোরা যা সব রাখালগণে
আমিতো যাবো না বনে
খেলব খেলা আপন মনে
ফকির লালন তাই ভণে ॥
সাধকদের কাছে গোষ্ঠ গানের গুরুত্ব অপরিসীম। ফকির লালন শাহ সর্বসাকুল্যে আটটি গান লিখেছেন। গানগুলো এক জায়গায় পাওয়া কঠিন। তাছাড়া যা পাওয়া যায় তার অধিকাংশই ভুল। অনেকে গানগুলোর জন্য নানান সময়ে অনুরোধ করেছেন। গানগুলো বিচ্ছিন্ন ভাবে বের না করে সাঁইজীর গোষ্ঠভাব নিয়ে আলোচনাসহ পেশ করলে ভাল হোত। এখন আপাতত নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে গানের ভাবগত ক্রম বজায় রেখে যেভাবে গাওয়া হয় সেই ভাবেই হাজির করছি। সুরের জন্য নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে যোগাযোগ করলেই অনায়াসেই পাওয়া যাবে। - ফরহাদ মযহার
গোষ্ঠে আর যাবনা মাগো
দাদা বলাইয়ের সনে ॥
বড় বড় রাখাল যারা
ওমা, বসে বসে থাকে তারা
আমায় করে জ্যান্তে মরা
বলে ধেণু ফিরা’ নে ॥
ক্ষুধাতে প্রাণ আকুল হয় মা
ধেণু রাখার বল থাকে না ॥
বলাই দাদা বোল বোঝে না
কথা কয় হেনে ॥
বনে যেয়ে রাখাল সবাই
বলে এস খেলি কানাই
হারিলেই স্কন্ধে বলাই
চড়ে তখনে ॥
তোরা যা সব রাখালগণে
আমিতো যাবো না বনে
খেলব খেলা আপন মনে
ফকির লালন তাই ভণে ॥
সাধকদের কাছে গোষ্ঠ গানের গুরুত্ব অপরিসীম। ফকির লালন শাহ সর্বসাকুল্যে আটটি গান লিখেছেন। গানগুলো এক জায়গায় পাওয়া কঠিন। তাছাড়া যা পাওয়া যায় তার অধিকাংশই ভুল। অনেকে গানগুলোর জন্য নানান সময়ে অনুরোধ করেছেন। গানগুলো বিচ্ছিন্ন ভাবে বের না করে সাঁইজীর গোষ্ঠভাব নিয়ে আলোচনাসহ পেশ করলে ভাল হোত। এখন আপাতত নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে গানের ভাবগত ক্রম বজায় রেখে যেভাবে গাওয়া হয় সেই ভাবেই হাজির করছি। সুরের জন্য নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে যোগাযোগ করলেই অনায়াসেই পাওয়া যাবে। - ফরহাদ মযহার
লয়ে গোধন গোষ্ঠের কানন - লালন ফকির
লয়ে গোধন গোষ্ঠের কানন
চল গোকুলবিহারী
গোষ্ঠে চলো হরিমুরারি ॥
তুই আমাদের সঙ্গে যাবি
বনফল সব খেতে পাবি
আমরা ম’লে তুই বাঁচাবি
তাই তোরে সঙ্গে করি ॥
ওরে ও ভাই কেলে সোনা
চরণে নূপুর দে না
মাথায় মোহন চূড়া নে না
ধড়া পর বংশীধারী ॥
যে ত্বরাবে এই ত্রিভূবন
সে যাবে আজ গোষ্ঠের কানন
ঠিক রেখ মন অভয় চরণ
লালন ওই চরণের ভিখারি ॥
সাধকদের কাছে গোষ্ঠ গানের গুরুত্ব অপরিসীম। ফকির লালন শাহ সর্বসাকুল্যে আটটি গান লিখেছেন। গানগুলো এক জায়গায় পাওয়া কঠিন। তাছাড়া যা পাওয়া যায় তার অধিকাংশই ভুল। অনেকে গানগুলোর জন্য নানান সময়ে অনুরোধ করেছেন। গানগুলো বিচ্ছিন্ন ভাবে বের না করে সাঁইজীর গোষ্ঠভাব নিয়ে আলোচনাসহ পেশ করলে ভাল হোত। এখন আপাতত নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে গানের ভাবগত ক্রম বজায় রেখে যেভাবে গাওয়া হয় সেই ভাবেই হাজির করছি। সুরের জন্য নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে যোগাযোগ করলেই অনায়াসেই পাওয়া যাবে। - ফরহাদ মযহার
চল গোকুলবিহারী
গোষ্ঠে চলো হরিমুরারি ॥
তুই আমাদের সঙ্গে যাবি
বনফল সব খেতে পাবি
আমরা ম’লে তুই বাঁচাবি
তাই তোরে সঙ্গে করি ॥
ওরে ও ভাই কেলে সোনা
চরণে নূপুর দে না
মাথায় মোহন চূড়া নে না
ধড়া পর বংশীধারী ॥
যে ত্বরাবে এই ত্রিভূবন
সে যাবে আজ গোষ্ঠের কানন
ঠিক রেখ মন অভয় চরণ
লালন ওই চরণের ভিখারি ॥
সাধকদের কাছে গোষ্ঠ গানের গুরুত্ব অপরিসীম। ফকির লালন শাহ সর্বসাকুল্যে আটটি গান লিখেছেন। গানগুলো এক জায়গায় পাওয়া কঠিন। তাছাড়া যা পাওয়া যায় তার অধিকাংশই ভুল। অনেকে গানগুলোর জন্য নানান সময়ে অনুরোধ করেছেন। গানগুলো বিচ্ছিন্ন ভাবে বের না করে সাঁইজীর গোষ্ঠভাব নিয়ে আলোচনাসহ পেশ করলে ভাল হোত। এখন আপাতত নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে গানের ভাবগত ক্রম বজায় রেখে যেভাবে গাওয়া হয় সেই ভাবেই হাজির করছি। সুরের জন্য নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে যোগাযোগ করলেই অনায়াসেই পাওয়া যাবে। - ফরহাদ মযহার
অনাদির আদি শ্রীকৃষ্ণনিধি - ফকির লালন শাহ
অনাদির আদি শ্রীকৃষ্ণনিধি তার কি আছে কভু গোষ্ঠ খেলা ॥
ব্রহ্মরূপে সে অটলে বসে লীলাকারি তার অংশকলা ॥
সত্যাসত্য সকল বেদ-আগমে কয়
সচ্চিদানন্দ রূপে পূর্ণ ব্রহ্ম হয়
জন্ম মৃত্যু যার নাই ভবের পর
সেতো নয় স্বয়ং কভু নন্দলালা ॥
পূর্ণচন্দ্র কৃষ্ণ রসিক সেজন
শক্তিতে উদয়, শক্তিতে সৃজন
গোষ্ঠ ভাবে সব চিত্ত আকর্ষণ
বৃহদাগমে তারে বিষ্ণু বলা ॥
গুরুকৃপা বলে কোন ভাগ্যবান
দেখেছে সেরূপ পেয়ে চক্ষুদান
সেরূপ হেরিয়ে সদা যে অজ্ঞান
লালন বলে সেতো প্রেমের ভোলা ॥
সাধকদের কাছে গোষ্ঠ গানের গুরুত্ব অপরিসীম। ফকির লালন শাহ সর্বসাকুল্যে আটটি গান লিখেছেন। গানগুলো এক জায়গায় পাওয়া কঠিন। তাছাড়া যা পাওয়া যায় তার অধিকাংশই ভুল। অনেকে গানগুলোর জন্য নানান সময়ে অনুরোধ করেছেন। গানগুলো বিচ্ছিন্ন ভাবে বের না করে সাঁইজীর গোষ্ঠভাব নিয়ে আলোচনাসহ পেশ করলে ভাল হোত। এখন আপাতত নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে গানের ভাবগত ক্রম বজায় রেখে যেভাবে গাওয়া হয় সেই ভাবেই হাজির করছি। সুরের জন্য নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে যোগাযোগ করলেই অনায়াসেই পাওয়া যাবে।
ব্রহ্মরূপে সে অটলে বসে লীলাকারি তার অংশকলা ॥
সত্যাসত্য সকল বেদ-আগমে কয়
সচ্চিদানন্দ রূপে পূর্ণ ব্রহ্ম হয়
জন্ম মৃত্যু যার নাই ভবের পর
সেতো নয় স্বয়ং কভু নন্দলালা ॥
পূর্ণচন্দ্র কৃষ্ণ রসিক সেজন
শক্তিতে উদয়, শক্তিতে সৃজন
গোষ্ঠ ভাবে সব চিত্ত আকর্ষণ
বৃহদাগমে তারে বিষ্ণু বলা ॥
গুরুকৃপা বলে কোন ভাগ্যবান
দেখেছে সেরূপ পেয়ে চক্ষুদান
সেরূপ হেরিয়ে সদা যে অজ্ঞান
লালন বলে সেতো প্রেমের ভোলা ॥
সাধকদের কাছে গোষ্ঠ গানের গুরুত্ব অপরিসীম। ফকির লালন শাহ সর্বসাকুল্যে আটটি গান লিখেছেন। গানগুলো এক জায়গায় পাওয়া কঠিন। তাছাড়া যা পাওয়া যায় তার অধিকাংশই ভুল। অনেকে গানগুলোর জন্য নানান সময়ে অনুরোধ করেছেন। গানগুলো বিচ্ছিন্ন ভাবে বের না করে সাঁইজীর গোষ্ঠভাব নিয়ে আলোচনাসহ পেশ করলে ভাল হোত। এখন আপাতত নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে গানের ভাবগত ক্রম বজায় রেখে যেভাবে গাওয়া হয় সেই ভাবেই হাজির করছি। সুরের জন্য নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে যোগাযোগ করলেই অনায়াসেই পাওয়া যাবে।
Friday, December 2, 2011
বড় সংকটে পড়িয়া দয়াল - লালন
বড় সংকটে পড়িয়া দয়াল
বারে বার ডাকি তোমায়
ক্ষম ক্ষম অপরাধ
... দাসের পানে একবার চাও হে দয়াময়
ক্ষম ক্ষম অপরাধ
ক্ষম ক্ষম ক্ষম অপরাধ।
তোমার ও ক্ষমতায় আমি
যা ইচ্ছে তাই কর তুমি
রাখো মার সে নাম নামি
তোমার এই জগত
ক্ষম ক্ষম অপরাধ
ক্ষম ক্ষম ক্ষম অপরাধ।
পাপী অধম তারই তে সাঁই
পতিত পবন নাম শুনতে পাই
সত্য মিথ্যা জানব হেতায়
তারা কিতে আজ আমায়
ক্ষম ক্ষম অপরাধ
ক্ষম ক্ষম ক্ষম অপরাধ।
কসুর পেয়ে মারো যারে
আবার দয়া হয়গো তারে
লালন বলে এ সংসারে
আমি কি তোমার কেহই নয়
ক্ষম ক্ষম অপরাধ
বড় সংকটে পরিয়া দয়াল
বারে বার ডাকি তোমায়
ক্ষম ক্ষম অপরাধ
ক্ষম ক্ষম ক্ষম অপরাধ।
Download
বারে বার ডাকি তোমায়
ক্ষম ক্ষম অপরাধ
... দাসের পানে একবার চাও হে দয়াময়
ক্ষম ক্ষম অপরাধ
ক্ষম ক্ষম ক্ষম অপরাধ।
তোমার ও ক্ষমতায় আমি
যা ইচ্ছে তাই কর তুমি
রাখো মার সে নাম নামি
তোমার এই জগত
ক্ষম ক্ষম অপরাধ
ক্ষম ক্ষম ক্ষম অপরাধ।
পাপী অধম তারই তে সাঁই
পতিত পবন নাম শুনতে পাই
সত্য মিথ্যা জানব হেতায়
তারা কিতে আজ আমায়
ক্ষম ক্ষম অপরাধ
ক্ষম ক্ষম ক্ষম অপরাধ।
কসুর পেয়ে মারো যারে
আবার দয়া হয়গো তারে
লালন বলে এ সংসারে
আমি কি তোমার কেহই নয়
ক্ষম ক্ষম অপরাধ
বড় সংকটে পরিয়া দয়াল
বারে বার ডাকি তোমায়
ক্ষম ক্ষম অপরাধ
ক্ষম ক্ষম ক্ষম অপরাধ।
Download
Saturday, November 19, 2011
সে রূপ দেখবি যদি
সে রূপ দেখবি যদি নিরবধি সরল হয়ে থাক
আয় না চলে ঘোমটা ফেলে নয়ন ভরে দেখ।।
সরল ভাবে যে তাকাবে অমনি সে রূপ দেখতে পাবে।
রূপেতে রূপ মিশে যাবে ঢাকনি দিয়ে ঢাক।।
চাতক পাখির এমনি ধারা অন্য বারি খায় না তারা
... প্রান থাকিতে জ্যান্তে মরা
ঐ রূপ ডালে বসে ডাক।।
ডাকতে ডাকতে রাগ ধরিবে
হৃৎকমল বিকশিত হবে
লালন বলে সেই কমলে হবে মধুর চাক।।
Download
আয় না চলে ঘোমটা ফেলে নয়ন ভরে দেখ।।
সরল ভাবে যে তাকাবে অমনি সে রূপ দেখতে পাবে।
রূপেতে রূপ মিশে যাবে ঢাকনি দিয়ে ঢাক।।
চাতক পাখির এমনি ধারা অন্য বারি খায় না তারা
... প্রান থাকিতে জ্যান্তে মরা
ঐ রূপ ডালে বসে ডাক।।
ডাকতে ডাকতে রাগ ধরিবে
হৃৎকমল বিকশিত হবে
লালন বলে সেই কমলে হবে মধুর চাক।।
Download
Monday, November 14, 2011
আয় দেখে যা নতুন ভাব
আয় দেখে যা নতুন ভাব এনেছে গোরা।
মুড়িয়ে মাথা গলে কাঁথা কটিতে কৌপীন পরা।।
গোরা হাসে কাঁদে ভাবের অন্ত নাই
সদাই দীন দরদী বলে ছাড়ে হাঁই।
জিজ্ঞাসিলে কয় না কথা হয়েছে কি ধন হারা।।
... গোরা শাল ছেড়ে কৌপীন পরেছে
আপনি মেতে জগত মাতিয়েছে।
হায় কী লীলে কলিকালে বেধবিধি চমৎকারা।।
সত্য ত্রেতা দ্বাপর কলি হয়
গোরা তার মাঝে এক দিব্য যুগ দেখায়।
লালন বলে ভাবুক হলে সেই ভাব জানে তারা।।
মুড়িয়ে মাথা গলে কাঁথা কটিতে কৌপীন পরা।।
গোরা হাসে কাঁদে ভাবের অন্ত নাই
সদাই দীন দরদী বলে ছাড়ে হাঁই।
জিজ্ঞাসিলে কয় না কথা হয়েছে কি ধন হারা।।
... গোরা শাল ছেড়ে কৌপীন পরেছে
আপনি মেতে জগত মাতিয়েছে।
হায় কী লীলে কলিকালে বেধবিধি চমৎকারা।।
সত্য ত্রেতা দ্বাপর কলি হয়
গোরা তার মাঝে এক দিব্য যুগ দেখায়।
লালন বলে ভাবুক হলে সেই ভাব জানে তারা।।
Monday, November 7, 2011
আমি ঐ চরণে দাসের যোগ্য নই
আমি ঐ চরণে দাসের যোগ্য নই।
নইলে মোর দশা কি এমন হয়।।
ভাব জানিনে প্রেম জানিনে দাসী হতে চাই চরণে।
ভাব দিয়ে ভাব নিলে মনে সেই সে রাঙ্গা চরণ পায়।।
নিজগুনে পদারবিন্দু দেন যদি সাঁই দীনবন্ধু
... তবে তরি ভবসিন্ধু নইলে না দেখি উপায়।।
অহল্যা পাষানী ছিলো প্রভুর চরণ ধূলায় মানব হলো।
লালন পথে পড়ে রইলো যা করে সাঁই দয়াময়।।
নইলে মোর দশা কি এমন হয়।।
ভাব জানিনে প্রেম জানিনে দাসী হতে চাই চরণে।
ভাব দিয়ে ভাব নিলে মনে সেই সে রাঙ্গা চরণ পায়।।
নিজগুনে পদারবিন্দু দেন যদি সাঁই দীনবন্ধু
... তবে তরি ভবসিন্ধু নইলে না দেখি উপায়।।
অহল্যা পাষানী ছিলো প্রভুর চরণ ধূলায় মানব হলো।
লালন পথে পড়ে রইলো যা করে সাঁই দয়াময়।।
Subscribe to:
Posts (Atom)
Download this Song